হ্যাঁ, রংপুরে এক পরিবারের চারজনকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসকে তার বাবা বিনয় দাস নিজেই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।
এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ও গ্রেফতার বিষয়ে পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
ঘটনার পটভূমি ও বিবরণ
- নিহতরা: রংপুরের মাছুয়াপাড়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগমী চক্রবর্তী এবং ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী। গত শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) রাতে তাদের তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।
- গ্রেফতারকৃতরা: এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও তাঁর মামাতো ভাই মুগ্ধ দাসকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়।
- হত্যার কারণ: পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার কিছুদিন আগে রাতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ ওই শিক্ষকের বাসার ছাদে উঠে ইয়াবা সেবন করছিলেন। শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী বিষয়টি দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ করেন। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে তারা শিক্ষকসহ পরিবারের চারজনকে একে একে নির্মমভাবে হত্যা করে।
- বাবার ভূমিকা: পুলিশ সিদ্ধার্থের খোঁজ করলে তাঁর বাবা বিনয় দাস নিজেই ছেলেকে চাচা বাড়ি থেকে ডেকে এনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সঁপে দেন। তিনি মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং জড়িতদের বিচার দাবি করেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এত কমবয়সী দুই তরুণের পক্ষে চারজন মানুষকে একা হত্যার বিষয়টি নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
এই ঘটনার বিষয়ে আপনার কি আরও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা তদন্তের আপডেট জানার প্রয়োজন আছে?

