সময় মতো কিস্তি না দেওয়ায় বউ নিয়ে ২ দিন ধরে উধাও কিস্তির স্যার…see more

সময় মতো কিস্তি না দেওয়ায় বউ নিয়ে ২ দিন ধরে উধাও কিস্তির স্যার…see more

সময়মতো কিস্তি আদায় করতে গিয়ে এবার নিজেই বিপাকে পড়েছেন এক কিস্তি সংগ্রহকারী কর্মকর্তা। নিয়মিত কিস্তি আদায়ের দায়িত্বে থাকা ওই ব্যক্তি হঠাৎ করে নিজের স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে টানা দুই দিন ধরে এলাকায় অনুপস্থিত থাকায় শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে যেমন কৌতূহল তৈরি হয়েছে, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে নানা ধরনের মন্তব্য।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে নিয়মিত কিস্তি সংগ্রহ করতেন। নির্দিষ্ট দিনে কিস্তি না দিলে গ্রাহকদের তাগাদা দেওয়া, সময়মতো টাকা জমা দেওয়ার জন্য বলা এবং বকেয়া কিস্তি আদায় করাই ছিল তার নিয়মিত কাজ। কিন্তু সম্প্রতি তার নিজের পরিস্থিতিই যেন ভিন্ন রকম হয়ে যায়।

জানা যায়, কিস্তি আদায়ের কাজে নিয়মিত দেখা গেলেও হঠাৎ একদিন থেকে তাকে এলাকায় আর পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রথমে অনেকে বিষয়টিকে স্বাভাবিক ছুটি বা ব্যক্তিগত ব্যস্ততা হিসেবে মনে করেন। কিন্তু একদিন পার হওয়ার পরও তার দেখা না মেলায় শুরু হয় নানা প্রশ্ন।

এরপর জানা যায়, তিনি নাকি নিজের স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। টানা দুই দিন তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় পরিচিতজনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ মজা করে বলছেন, “অন্যদের কিস্তির সময় মনে করিয়ে দিতে দিতে এবার নিজেরই পালানোর সময় হয়েছে!”

তবে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ কী, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কিস্তি আদায়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে চলে যাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্যের অনেকটাই যাচাই করা হয়নি। ফলে কোনো মন্তব্য বা অভিযোগকে সত্য ধরে নেওয়ার আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য নিশ্চিত করা জরুরি।

কিস্তিভিত্তিক ঋণ বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নিয়মিত হিসাব রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকের কিস্তি আদায় যেমন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব, তেমনি সংগৃহীত অর্থ যথাযথভাবে জমা দেওয়াও সংশ্লিষ্ট কর্মীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কোনো কারণে কর্মী অনুপস্থিত হলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে হিসাব যাচাই এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।

এদিকে ওই কিস্তি সংগ্রহকারী কোথায় আছেন এবং কবে ফিরবেন—এ নিয়ে এলাকায় কৌতূহল রয়েছে। তার অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ জানা গেলে বিষয়টি নিয়ে তৈরি হওয়া নানা গুঞ্জনেরও অবসান হতে পারে।

সবশেষে বলা যায়, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসের সৃষ্টি হলেও আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যাচাইহীন অভিযোগ ছড়ানো উচিত নয়। প্রকৃত ঘটনা জানা গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যসহ বিষয়টি পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *