হ’ত্যা’র পর খু’নিরা গোসল করে, বসে ই*য়াবা-খেজুর খায়…See more

হ’ত্যা’র পর খু’নিরা গোসল করে, বসে ই*য়াবা-খেজুর খায়…See more

রংপুরে নৃশংস হ*ত্যাকাণ্ড: হ*ত্যার পর গোসল করে ই*য়াবা-খেজুর খায় ঘাতকরা

রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হ*ত্যার ঘটনায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা একই এলাকার বাসিন্দা এবং নিহতদের পূর্বপরিচিত; আসামিরা গণপতি স্যারকে ‘কাকা’ বলে ডাকত।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনার সময় তারা পাশের ভবনের ছাদ দিয়ে গণপতি স্যারের ছাদে গিয়ে ই*য়াবা সেবন করছিল। স্যার তাদের দেখে বকাঝকা করলে, বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তারা গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হ*ত্যা করে। ধ্বস্তাধস্তির শব্দ পেয়ে স্ত্রী ছুটে আসলে একই কায়দায় তাকেও হ*ত্যা করে, মেয়ে ছুটে আসলে তাকেও এভাবেই হ*ত্যা করে। ছোট ছেলেটি ছিলো ঘরে তাকে ঘরের মধ্যে বালিশ চাপা দিয়ে হ*ত্যা করে। কী ভয়ংকর!! 😭

এরপর তারা ওই বাসার ওয়াশরুমে গোসল করে এবং ঘরে বসে আবার ই*য়াবা সেবন করে। পরে বাসার আসবাবপত্র ও স্বর্ণালংকার তল্লাশি করে লুটের মালামাল সংগ্রহ করে। স্বর্ণের আসল-নকল যাচাই করতে আগুনও ব্যবহার করে তারা।

শুক্রবার জুমার নামাজের সময় সবাই মসজিদে গেলে ধরা পড়ার আশঙ্কা কম থাকবে, এমন চিন্তা করে তারা অপেক্ষা করতে থাকে রাতভর। এ সময় ডাইনিংয়ে বসে খেজুর ও ফ্রিজের শসা খায়। জুমার নামাজের সময় হলে ছাদ দিয়ে পাশের ভবন ঘুরে তারা পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা হ*ত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য জানায় এবং লুট করা বাকি মালামালের সন্ধান দেয়।

এই নৃশংস ঘটনা শুধুমাত্র নেশার কারণে। নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি খু*নির চেয়ে ভয়ংকর। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। পুলিশ ধরে আনছে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবেতো???

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *