বরিশালে স্ত্রী পরকীয়ায়, ধরতে পারায়, স্বামীর রাগে চোখে মরিচের গুঁড়…See more

বরিশালে স্ত্রী পরকীয়ায়, ধরতে পারায়, স্বামীর রাগে চোখে মরিচের গুঁড়…See more

বরিশালের একটি এলাকায় স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত—এমন সন্দেহকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার সময় স্বামী ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীর চোখে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে প্রতিবেশীরা ওই নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, ওই দম্পতির মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল। স্বামীর অভিযোগ ছিল, তার স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তবে স্ত্রী এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার পরিবারের সদস্যরা তাদের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হয়নি।

ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে বিষয়টি নিয়ে আবারও দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্বামী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্ত্রীর ওপর মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এতে ওই নারীর চোখে তীব্র জ্বালা ও ব্যথা শুরু হয়। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

পরে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে তার চোখ পরিষ্কার করা হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, চোখে কোনো ধরনের রাসায়নিক বা ঝালজাতীয় পদার্থ গেলে দ্রুত পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। অনেকেই বলেন, দাম্পত্য জীবনে সন্দেহ বা পরকীয়ার অভিযোগ থাকলেও কোনোভাবেই শারীরিক নির্যাতনের পথ বেছে নেওয়া উচিত নয়। অভিযোগ সত্য কি না, সেটি তদন্তের মাধ্যমেস্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিনের হলে পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের পাশাপাশি প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া উচিত।

নিজের হাতে আইন তুলে নিয়ে কাউকে আঘাত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করা হয়েছে কি না, কিংবা পুলিশ কোনো আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে কি না—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়। নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *